শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

বিমানবন্দরে প্রবাসী শ্রমিকদের ‍‍`স্যার‍‍` ডাকার আহবান বিমান প্রতিমন্ত্রীর

টিএনসি ডেস্ক

প্রকাশিত: : মার্চ ৬, ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম

প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সম্মান ও আন্তরিক আচরণ নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে তাদের ‘স্যার’ সম্বোধনের সংস্কৃতি চালুর আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে সেবার মান উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরে প্রবাসী শ্রমিকদের ‍‍`স্যার‍‍` ডাকার আহবান বিমান প্রতিমন্ত্রীর

প্রবাসীদের প্রতি সম্মান ও আন্তরিক আচরণ নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে তাদের ‍‍`স্যার‍‍` সম্বোধনের সংস্কৃতি চালুর আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের লাউঞ্জে দায়িত্বরত কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রবাসীরা বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে যে অর্থ দেশে পাঠান, তা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। সেই অর্থ থেকেই রাষ্ট্রের অনেক ব্যয়, এমনকি সরকারি কর্মচারীদের বেতনও পরিশোধ করা হয়। তাই তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও আন্তরিকতা দেখানো জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে আসা অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে না জানায় ভোগান্তিতে পড়েন। তাই সেবার ধরন ও কর্মীদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে সেবার মান নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনার কথাও জানান।

এর আগে ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সেখানে প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে তাদের ‍‍`স্যার‍‍` বলে সম্বোধন করার সংস্কৃতি গড়ে তোলা উচিত। পাশাপাশি বিমানবন্দরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মনিটরিং জোরদার করা এবং দায়িত্ব পালনে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ড বা নিরাপত্তাজনিত কোনো ঝুঁকি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। যাত্রীসেবায় জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবার মান উন্নয়ন ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ মন্ত্রণালয় ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!