মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর শাস্তি দেবে না আইসিসি

টিএনসি ডেস্ক

প্রকাশিত: : ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালেও বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি বা জরিমানা দিচ্ছে না আইসিসি, বরং ভবিষ্যতে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর শাস্তি দেবে না আইসিসি

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া এবং টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়া নিয়ে যে ধোঁয়াশা ও শাস্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে। লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আইসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিসিবি সভাপতির বৈঠকের পর এ বিষয়ে স্পষ্টতা আসে। সোমবার রাতে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) কোনো ধরনের আর্থিক জরিমানা বা ক্রিকেটীয় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে না।

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানায়, তাদের অবস্থান নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত। লক্ষ্য কোনো সদস্য দেশকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং সহযোগিতামূলক সহায়তা নিশ্চিত করা।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুর্ভাগ্যজনক হলেও এ জন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রয়োজনে বিসিবির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) শরণাপন্ন হওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। বর্তমান আইসিসি বিধি অনুযায়ী এই অধিকার বহাল আছে। সংস্থাটি জানায়, জাতীয় দলের এই অনুপস্থিতি বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোনো দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।

শাস্তি মওকুফের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছে আইসিসি। ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। এর আগে, ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে একটি একক আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ আবারও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আয়োজক হতে যাচ্ছে।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, "স্বল্পমেয়াদি কোনো সমস্যা দিয়ে বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট শক্তির অবস্থান নির্ধারিত হয় না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি হতাশাজনক হলেও, একটি ক্রিকেট জাতি হিসেবে তাদের প্রতি আইসিসির দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন আসেনি।" তিনি আরও বলেন, "বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বাংলাদেশে ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের ভবিষ্যৎ সুযোগ বাড়ানোর দিকেই আমাদের মনোযোগ।"

Link copied!