প্রকাশিত: : মে ১১, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
আহমদ ছফার কবর মিরপুরের সাধারণ কবরস্থান থেকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মৃত্যুর দুই যুগ পর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রভাবশালী ও প্রথাবিরোধী এই লেখক ও বুদ্ধিজীবীর কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নেওয়া হচ্ছে। লেখকের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৪তম করপোরেশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর ভাইয়ের ছেলে নূরুল আনোয়ার কবর স্থানান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি ও সমাজসেবায় আহমদ ছফার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও তাঁকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই তাঁকে বর্তমান সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে যথাযথ মর্যাদায় সমাহিত করার দাবি জানানো হয়।
গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির সভায় আহমদ ছফার কবর স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় করপোরেশনের সদস্যরা তাঁর কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে একমত হন।
এ বিষয়ে নূরুল আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, আহমদ ছফার মৃত্যুর পর তাঁকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনের দাবি ছিল পরিবারের। তবে তা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, বর্তমান কবরটি নির্ধারিত সময়ের পর ভেঙে ফেলা হবে। এ কারণে কবরটি বুদ্ধিজীবীদের জন্য নির্ধারিত অংশে স্থানান্তরের আবেদন করা হয়, যাতে এটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরে বর্তমান সরকারের কাছে আবেদন উত্থাপন করা হলে অনুমোদন দেওয়া হয়। তাঁর ভাষায়, আহমদ ছফার মতো একজন ব্যক্তিত্বকে প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়াই ছিল আবেদনের মূল উদ্দেশ্য।