প্রকাশিত: : এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মুক্তি পেল কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসন-এর জীবনভিত্তিক বায়োপিক ‘মাইকেল’—যেখানে তাঁর শৈশব থেকে বিশ্বজয়ের গল্প তুলে ধরেছেন ভাতিজা জাফার জ্যাকসন, চমকপ্রদ রূপে পুনর্জীবিত হয়েছে পপসম্রাটের অনন্য যাত্রা।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে কিংবদন্তি পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীভিত্তিক সিনেমা `মাইকেল`। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বজুড়ে সিনেমাটি মুক্তি পায়। বাংলাদেশেও একই দিনে স্টার সিনেপ্লেক্সে এটি প্রদর্শিত হচ্ছে। সিনেমায় মাইকেলের শৈশব, বেড়ে ওঠা, সংগীতজগতে যাত্রা এবং ভক্তদের হৃদয় জয় করার নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। এতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁর ভাইয়ের ছেলে জাফার জ্যাকসন। সিনেমায় জাফারের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, পোশাক ও নাচের ধাপে মাইকেলের উপস্থিতি ফুটে উঠেছে।
এই সিনেমার মাধ্যমে মৃত্যুর ১৬ বছর পর পর্দায় আবার দেখা গেল মার্কিন গায়ক, নৃত্যশিল্পী, গীতিকার, অভিনেতা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মাইকেল জ্যাকসনকে। মাইকেল জ্যাকসন ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে এক আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১০ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন অষ্টম। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। পাঁচ বছর বয়সে ভাইদের সঙ্গে `দ্য জ্যাকসন ৫` ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট হিসেবে তিনি পেশাদার সংগীত জীবন শুরু করেন। ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ব্যান্ডটি `আই ওয়ান্ট ইউ ব্যাক` ও `এবিসি`-এর মতো জনপ্রিয় গান উপহার দেয়।
১৯৭১ সালে তিনি একক সংগীতজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত `থ্রিলার` অ্যালবাম তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়, যা ইতিহাসের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রীত অ্যালবাম। ২০০৯ সালের ২৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রোপোফল ও বেনজোডিয়াজেপাইনের প্রভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর জীবনভিত্তিক `মাইকেল` বায়োপিকটি বিভিন্ন ঘটনার সমন্বয়ে নির্মিত।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টোইন ফুকুয়া। চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনবার অস্কার মনোনীত জন লোগান, যেখানে মাইকেলের শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য ও মঞ্চ পরিবেশনা তুলে ধরা হয়েছে। লায়ন্সগেট প্রযোজিত এ সিনেমায় জাফার জ্যাকসনের পাশাপাশি নিয়াহ লং, লরা হ্যারিয়ার, জুলিয়ানো ক্রু ভালদি, মাইলস টেলার ও কোলম্যান ডোমিঙ্গো অভিনয় করেছেন।