শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

জ্বালানি সংকটে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিং হচ্ছে গ্রাম ও মফস্বল অঞ্চলে

টিএনসি ডেস্ক

প্রকাশিত: : এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১১:১৫ পিএম

জ্বালানি সংকটে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিং হচ্ছে গ্রাম ও মফস্বল অঞ্চলে

গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানীর তুলনায় মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকট বেশি। কোথাও কোথাও দিনে ও রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না বলে জানা গেছে। জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি সমস্যার কারণে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিবিসি বাংলার তথ্যমতে, ঢাকার বাইরে জেলাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকার ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটন বলেন, "রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ৪-৫ বার বিদ্যুৎ যায়। দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গড়ে ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।"

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ৩০ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। লালমনিরহাট, চট্টগ্রাম ও মেহেরপুরের গ্রামাঞ্চলে এই সমস্যা বেশি। তবে পৌরসভা বা শহর এলাকায় তুলনামূলক কম লোডশেডিং হচ্ছে, দিনে ২ থেকে ৩ বার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে সারা দেশে লোডশেডিং ১ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শুরু থেকে দিনে ও রাতে গড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৮০ মেগাওয়াট, যেখানে চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। সে সময় লোডশেডিং ছিল ৬৮৮ মেগাওয়াট। পরদিন বুধবার বিকেল তিনটায় চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন ছিল ১২ হাজার ৬৭০ মেগাওয়াট। পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪৩ মেগাওয়াট, যা এ মাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, "জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে কয়লা ও তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যা হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।"

এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, "বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসের তীব্র সংকট রয়েছে। বকেয়া পরিশোধের সমস্যার কারণেও জ্বালানি আমদানিতে প্রভাব পড়ছে, যার ফলশ্রুতিতে এই লোডশেডিং।" বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার অফিসের সময় কমানো এবং শপিং মল দ্রুত বন্ধ করার মতো উদ্যোগ নিলেও বাড়তি চাহিদার কারণে তা খুব বেশি কার্যকর হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্ধ থাকা ইউনিটগুলো পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে। তবে গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং পুরোপুরি কমার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানীর তুলনায় মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকট বেশি। কোথাও কোথাও দিনে ও রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না বলে জানা গেছে। জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি সমস্যার কারণে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিবিসি বাংলার তথ্যমতে, ঢাকার বাইরে জেলাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকার ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটন বলেন, "রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ৪-৫ বার বিদ্যুৎ যায়। দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গড়ে ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।"

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ৩০ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। লালমনিরহাট, চট্টগ্রাম ও মেহেরপুরের গ্রামাঞ্চলে এই সমস্যা বেশি। তবে পৌরসভা বা শহর এলাকায় তুলনামূলক কম লোডশেডিং হচ্ছে, দিনে ২ থেকে ৩ বার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে সারা দেশে লোডশেডিং ১ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শুরু থেকে দিনে ও রাতে গড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৮০ মেগাওয়াট, যেখানে চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। সে সময় লোডশেডিং ছিল ৬৮৮ মেগাওয়াট। পরদিন বুধবার বিকেল তিনটায় চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন ছিল ১২ হাজার ৬৭০ মেগাওয়াট। পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪৩ মেগাওয়াট, যা এ মাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, "জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে কয়লা ও তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যা হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।"

এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, "বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসের তীব্র সংকট রয়েছে। বকেয়া পরিশোধের সমস্যার কারণেও জ্বালানি আমদানিতে প্রভাব পড়ছে, যার ফলশ্রুতিতে এই লোডশেডিং।" বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার অফিসের সময় কমানো এবং শপিং মল দ্রুত বন্ধ করার মতো উদ্যোগ নিলেও বাড়তি চাহিদার কারণে তা খুব বেশি কার্যকর হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্ধ থাকা ইউনিটগুলো পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে। তবে গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং পুরোপুরি কমার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Link copied!